অ্যানালগ ও ডিজিটাল এর মধ্যে পার্থক্য ও ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স কিভাবে কাজ করে- Analogue and Digital Electronics

Posted by

ইলেকট্রনিক্স জগৎ প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত, ডিজিটাল ও অ্যানালগ। ইলেকট্রনিক্সের জগত অ্যানালগ দিয়ে শুরু হলেও, বর্তমানে ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সের ব্যাবহার সবখানে। হাতের ঘড়ি থেকে বৃহৎ কারাখানার সকল কাজ নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে এখন এই ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স দ্বারা।

এই পর্বে আমরা জানব অ্যানালগ ও ডিজিটাল এর মধ্যে পার্থক্য ও ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স কিভাবে কাজ করে।

অ্যানালগ ও ডিজিটাল এর মধ্যে প্রধান পার্থক্য হল অ্যানালগ সিগন্যাল সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয়। কিন্তু ডিজিটাল সিগন্যাল সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয় না। এর দুইটি অবস্থা, হয় অফ না হয় অন। এর অফ এবং অন হতে কোন সময় লাগে না। যেমন কোন অ্যানালগ সিগন্যাল যদি শুন্য থেকে দশ ভোল্টে পরিবর্তিত হয় তাহলে তা সময়ের সাথে শুন্য, এক, দুই, তিন এভাবে পরিবর্তিত হবে। কিন্তু ডিজিটাল সিগন্যাল হয় শুন্য নয় তো একবারে দশ হবে।

 জটিল সব অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটালে প্রকাশ করার জন্য অ্যানালগ-ডিজিটাল কনভার্টার ব্যাবহার করা হয় (এ নিয়ে পরবর্তীতে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে)।

অ্যানালগ সার্কিট এ রয়েছে রেক্টিফায়ার, ট্রানজিস্টর, ফিল্টার, অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি। অ্যানালগ সিগন্যাল কোন সিদ্ধান্ত গ্রহন বা কোন কিছু স্বরন রাখতে পারে না।

ডিজিটাল সার্কিট তৈরী হয় লজিক গেট, মাল্টিপ্লেক্সের, ডেকোডার ইত্যাদি দিয়ে। এগুলো মুলত কাজ করে হাই ও লো ভোল্টেজ সুইচিং এর মাধ্যমে। এখানে সাধারণত লো ভোল্টেজ হল শূন্য এবং হাই ভোল্টেজ হল পাঁচ ভোল্ট, কিছু ডিভাইস এ কমবেশী হতে পারে।

ডিজিটাল ডিভাইসে সুইচিং এর জন্য মূলত বিভিন্য ধরনের দ্রুত গতির ট্রানজিস্টর ব্যাবহৃত হয়। প্রধানত CMOS (Complementary metal–oxide–semiconductor) এবং MOSFET (metal oxide semiconductor field effect transistors) ।


Leave a Reply