সলিড স্টেট রিলে (SSR) – বিভিন্ন ধরনের SSR রিলের গঠন ও কার্যপ্রনালী (Solid State Relay)

সলিড স্টেট রিলে হচ্ছে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি এক ধরনের সুইচিং ডিভাইস । এটি দ্বারা লো ভোল্টেজ এর সাহায্যে হাই ভোল্টেজ কে কন্ট্রোল করা হয়। আমরা জানি যে সাধারণ রিলে ইলেক্ট্রো ম্যাগনেটিক পদ্ধতিতে কাজ করে। কিন্তু সলিড স্টেট রিলেতে ব্যাবহার করা হয় অপ্টকাপলার পদ্ধতি যাতে ইনপুট ও হাই ভোল্টেজ আউটপুট আইসোলেট বা আলাদা থাকে।

More

অ্যানালগ ও ডিজিটাল এর মধ্যে পার্থক্য ও ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স কিভাবে কাজ করে- Analogue and Digital Electronics

ইলেকট্রনিক্স জগৎ প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত, ডিজিটাল ও অ্যানালগ। ইলেকট্রনিক্সের জগত অ্যানালগ দিয়ে শুরু হলেও, বর্তমানে ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সের ব্যাবহার সবখানে। হাতের ঘড়ি থেকে বৃহৎ কারাখানার সকল কাজ নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে এখন এই ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স দ্বারা। এই পর্বে আমরা জানব অ্যানালগ ও ডিজিটাল এর মধ্যে পার্থক্য ও ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স কিভাবে কাজ করে। অ্যানালগ ও ডিজিটাল এর মধ্যে

More

Concept of Bit and Logic Gate

ডিজিটাল কম্পিউটিং এর শুরু বিট থেকে। প্রসেসর ও মেমোরির গঠন এই বিট থেকে শুরু। ইলেকট্রনিক্স এ বিট হল কোন সার্কিটের অন বা অফ অবস্থা। অন হলে সেটি সত্য (true) বা 1 এবং অফ হলে মিথ্যা (False) বা 0। এটাই হল বিট, যা আটটি মিলে বাইট হয়। বিটের মাধ্যমে কোন সার্কিটের গাণিতিক অবস্থা বোঝা যায় এবং

More

বাইনারি সংখ্যা কি? Easy Calculation of Binary Number System

দশমিক সংখ্যা সম্পর্কে আমরা সবাই জানি- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮ এবং ৯।যার ধারণা শুরু হয় হাত-পায়ের দশ আঙুলের থেকে। কিন্তু ডিজিটাল কম্পিউটার তো আর সংখ্যা বোঝে না। বোঝে শুধু ভোল্টেজ আর কারেন্ট, ভোল্টেজ থাকলে সার্কিট কাজ করতে পারবে , না থাকলে নয়। এজন্য কোনো ইনপুট +৫ভোল্ট হলে কম্পিউটার তা লজিক ১ হিসাবে ধরে এবং ইনপুট ০ ভোল্ট হলে ০

More

ভোল্টেজ, অ্যামম্পিয়ার এবং ওহম / Voltage, Ampere and Ohm

আমরা সবাই হয়তো ভোল্টেজ, কারেন্ট শব্দো গুলোর সাথে পরিচিত। কিন্তু আমাদের অনেকেই জানিনা আসলে এগুলো কি বা এদের মধ্যে পার্থক্য কি। অনেক সময় আমরা ভাবি হয়ত এই দুইটি জিনিস একই। কিন্তু এই দুইটি জিনিস মোটেই এক নয়। আমরা জানি ইলেক্ট্রন চলাচলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ চলাচল করে। যা চার্জ নামে পরিচিত। স্বাভাবিক অবস্থায় পরমানুর ইলেকট্রন ও প্রোটনের

More

ব্যাটারি সোর্স ও এর কানেকশন , Battery Source & its Connection

সার্কিট বা বৈদ্যতিক যন্ত্র চালানোর জন্য ভোল্টেজ ও কারেন্ট যা থেকে পাওয়া যায় তা হল পাওয়ার সোর্স । একটি আদর্শ পাওয়ার সোর্স এমন হবে যার দুই প্রান্তে বিভিন্ন মানের রেজিস্ট্যান্স বা লোড সংযুক্ত করলেও এর ভোল্টেজ একই থাকবে । অর্থাৎ আদর্শ পাওয়ার সোর্সের সাথের আড়াআড়িতে যে মানের রেজিস্টান্স ই লাগান হোক এর ভোল্টেজ একই থাকবে

More

কীভাবে চিনবেন একটি ট্রানজিস্টর…

সাধারণত ট্রানজিস্টর বিভিন্ন ধরনের হয় । মুলত এর প্যাকেজিং এর উপর নির্ভর করে এটি পি.এন.পি. নাকি এন.পি.এন. এবং এর পিন কনফিগারেশন। তবে সামান্য পরীক্ষাতেই আপনিও বের করতে পারেন ট্রানজিস্টরটি পি.এন.পি. নাকি এন.পি.এন. নিচের চিত্রটি দেখুনঃ আপনার কাছে যদি মিটার থাকে তাহলে মিটারের সিলেক্টর এ x1 বা রেজিস্টর মুড সেট করুন। আর মিটার না থাকলে ব্যাটারি

More

এসি (AC) ভোল্টেজ কে পরিবর্তনশীল বলা হয় কেন বা এর ফেজ Φ কী? What is AC Voltage and It’s Phase Φ

এসি এবং ডিসি মূলত বোঝায় বিদ্যুৎ আসলে কিভাবে প্রবাহিত হচ্ছে । ডিসি দ্বারা বোঝায় যে এটি একমুখী (Direct Current) অর্থাৎ এর কারেন্ট নেগেটিভ প্রান্ত থেকে পজিটিভ প্রান্তে যাচ্ছে । যা এর চার্জ বা ভোল্টেজের ওপর নির্ভর করে । কিন্তু এসি ভোল্টেজের বেলায় তা পরিবর্তনশীল । কেমন? এসি ভোল্টেজের কোন নির্দিষ্ট দিক থাকে না । যেমন

More

আপনার মাথায় যে এক হাজার কোটিরও বেশি কোষ আছে

আপনার মাথায় যে এক হাজার কোটিরও বেশি কোষ আছে, যাকে আমরা নিউরন বলি। এরা কোন কিছু চিন্তা করতে এবং স্মরণ রাখতে সহায়তা করে। ঠিক তেমনি আজকের যুগের কম্পিউটারেও হাজার কোটি ক্ষুদ্র ব্রেইন কোষ আছে, যাদেরকে আমরা ট্রান্সজিস্টর বলি। তবে এখনও ট্রান্সজিস্টর আলাদাভাবে পাওয়া যায় । ট্রান্সজিস্টর মূলত সিলিকন-এর দ্বারা গঠিত। ট্রান্সজিস্টরের গঠনঃ পোলারিটির উপর ভিত্তি

More