ব্যাটারি সোর্স ও এর কানেকশন , Battery Source & its Connection

Posted by

সার্কিট বা বৈদ্যতিক যন্ত্র চালানোর জন্য ভোল্টেজ ও কারেন্ট যা থেকে পাওয়া যায় তা হল পাওয়ার সোর্স । একটি আদর্শ পাওয়ার সোর্স এমন হবে যার দুই প্রান্তে বিভিন্ন মানের রেজিস্ট্যান্স বা লোড সংযুক্ত করলেও এর ভোল্টেজ একই থাকবে । অর্থাৎ আদর্শ পাওয়ার সোর্সের সাথের আড়াআড়িতে যে মানের রেজিস্টান্স ই লাগান হোক এর ভোল্টেজ একই থাকবে ।
যেমন কোন ১০ ভোল্ট এর সোর্সের সাথে ১০Ω বা ৫ Ω যে মানেরই রেজিস্টর সংযুক্ত করা হোক না কেন এর ভোল্টেজ একই থাকা উচিৎ , যদিও এর কারেন্ট পরিবর্তিত হবে নিম্নরূপ-
I=V/R , I=10v÷10Ω=1amp বা, I=10v÷5Ω=2amp

কিন্তু যদি রেজিস্টেন্স এর মান শুন্য হয় , তাহলে কারেন্ট কত হবে- I=10v÷0 =∞
=ইনফিনিটি বা অসীম । বাস্তবে অসীম কারেন্টের উৎস তৈরি হয়নি আবার এমন কোন পরিবাহি নেই যার রেজিস্ট্যান্স পুরপুরি শুন্য ।
এর পরিবর্তে আমরা ব্যটারির কথা বলতে পারি, যা সর্বোচ্চ মানের কারেন্ট সর্বরাহ করতে পারে । এবং একটি ভাল ব্যাটারির দুই প্রান্তে বিভিন্ন মানের রেজিস্ট্যান্স সংযুক্ত থাকলেও এর ভোল্টেজ একই থাকে বা ভোল্টেজ ড্রপ হয় না । ব্যটারি হচ্ছে ভাল মানের ডিসি পাওয়ার সোর্স । যে সকল ডিভাইস এ নিরবিচ্ছিন্ন ডিসি সোর্স দরকার সেখানে ব্যাটারি ব্যবহার করা হয় । বিশেষত ডিজিটাল ডিভাইসে । কেননা AC voltage কে যতই ফিল্টার করা হোক না কেন তা থেকে পিওর ডিসি পাওয়া যায় না ।
ব্যাটারি এর ভোল্টেজ, কারেন্ট ও অভ্যন্তরীণ গঠন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের হয় । এ বিষয়ে অন্য আলাদা একটি পোস্ট লিখব ।
আমরা জানি ব্যাটারির দুই প্রান্ত, একটি নেগেটিভ (-) ও অন্যটি পজেটিভ (+)।
একাধিক ব্যাটারি আড়াআড়িতে সংযুক্ত করলে এর ভোল্টেজ একই থাকে, যাকে আমরা প্যারালাল সার্কিট বলি । এতে সকল ব্যাটারির পজেটিভ প্রান্ত গুলো এক সাথে ও নেগেটিভ প্রান্ত গুল আলাদা ভাবে এক সাথে লাগানো হয়।
আর ব্যাটারি যদি পর পর বা এর একটি নেগেটিভ প্রান্তের সাথে অপরটির পজেটিভ প্রান্ত লাগান হয় তাহলে এর ভোল্টেজ যোগ হয় । নিচের ছবি দেখলে পরিস্কারভাবে বুঝতে পারবেন ।

এখানে VB হল ব্যাটারি , এখানে    হল ব্যাটারির সংকেতিক চিহ্ন যার ছোট প্রান্তটি নেগেটিভ ও বড় প্রান্তটি পজেটিভ । RL হচ্ছে রেজিস্টান্স , VE হচ্ছে লোড দেওয়ার পর ভোল্টেজ ।

Leave a Reply